ইচ্ছেঘুড়ি‘র সকল পাঠক, লেখক ও শুভানুধ্যায়ীকে পবিত্র ঈদুল আজহার নিরন্তর শুভেচ্ছা। ” ঈদ মোবারক”। ঈদ আমাদের পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেস ভুলে যেতে আহবান জানায়। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যখন আমরা এক আল্লাহর সামনে দাঁড়াই, তখন এই চির সুন্দর দৃশ্য আমাদেরকে পারস্পরিক শত্রুতা, ঘৃণা ও হিংসা-বিদ্বেষ বর্জনের দিকে উৎসাহিত করে এবং পারস্পরিক ভালবাসা ও সৌহার্দ বৃদ্ধির দিকে আহবান করে।
পরম শক্তিমানের কাছে আনুগত্য এবং মহান ত্যাগের প্রতীকী স্বরূপ এই কুরবানী ঈদ। এ কুরবানি কেবল পশু কুরবানি নয়। নিজের পশুত্ব, নিজের ক্ষুদ্রতা, নীচতা, স্বার্থপরতা, হীনতা, দীনতা, আমিত্ব ও অহংকার ত্যাগের কুরবানি। নিজেদের মধ্যে লুক্কায়িত পশুত্বতে বিসর্জন দিতে হবে। মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে আত্মসমর্পণকারী ও আত্মত্যাগী হ’তে হবে। এটিই হ’ল কুরবানির ঈদের শিক্ষা।
‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের’ কলমে ঈদ
কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়, ‘তোরা ভোগের পাত্র ফেলরে ছুঁড়ে, ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ’। কবির ভাবার্থে, হৃদয়ে যদি কোন পশু সূলভ আচরণ থাকে সেই পশুত্বকে হত্যা করতে হবে। ভোগের মতো রিপুকে ত্যাগ করে জীবনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে পরম করুণাময়ের প্রতি সকল কিছু নিবেদন করে। এই আত্মত্যাগই জীবনের পাথেয় হয়ে ওঠে।
এই ঈদুল আজহা শান্তি, সহমর্মিতা, ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের বন্ধনে সবাইকে নিত্য নিত্য আবদ্ধ রাখুক এই শুভ কামনাই সবাইকে আবারো ”ঈদ মোবারক“
কবিতার সুরে: ঈদ এলো, বৃষ্টি এলো, খুশির দ্বার মুক্ত হলো, ঈদ এর এখন নতুন রুপ, বৃষ্টি হলো অপরুপ। তুমি আমার আপনজন তাই তোমাকে জানাই নিমন্ত্রন। **ঈদ মোবারক***

