কোন এক শীতের সকাল
কুয়াশায় মোড়ানো ধোঁয়াশাচ্ছন্ন ক্ষণ,
শীতের তীব্রতা থেকে রেহাই পেতে
গরম চা এর উঞ্চতার আখাংকিত মুহূর্ত
আবছা আলো অন্ধকারে তোমার উপস্থিতি
ধুমায়িত এক পেয়ালা চা নিয়ে
হাত বাড়ালাম গভীর স্বাগ্রহে
একি ! তুমি নেই, শুধু ধুপছায়া!!
কোন এক চৈত্রের কাঠফাটা রোদ্দুর
হেটে যাওয়া ঐ দূর গন্তব্যে
ঘর্মাক্ত শরীরে ক্লান্তির স্পষ্ট ছাপ
খানিক বিশ্রামের প্রত্যাশায়
বসে পরা সুশীতল গাছের ছায়ায়।
আয়েশী বাতাসের আলতো ছোঁয়ায়
চোখগুলো যেন নিবু নিবু প্রদীপ
এমন ক্ষণে তোমার সোহাগী স্পর্শ
ভালোলাগার অনূভুতির উচ্চ মাত্রা
চোখ খুলি দেখ, অসীম শুন্যতা!!
কোন এক মায়াময় সন্ধ্যায়
বাশির সুরে মোহিত ক্ষণ
রিনিঝিনি ছন্দে নাচে মন,
তুমি এলে কিন্নরী হয়ে
সুরের তালে নেচে নেচে
এবার সত্যি তুমি এলে?
আমি হাত বাড়ালাম
তোমার হাতটি ধরব বলে,
কিন্তু হায়!
শুন্য হাতই ফিরিয়ে দিলে!।
জোছনা ভেজা রাত, নিরালায় একাকী
আনমনে কল্পনায় মায়াবী বিদুষী,
নিদ্রাহীন জাগ্রত দুটি চোখ বলে
তুমি সুখ ছোঁয়া রুপসী।
তুমি অস্পর্শী বিনা শব্দে বললে শুধু
হয়োনা বৃথায় স্বপ্ন বিলাসী।
নিমিষেই রঙিন স্বপ্নগুলি গেল ঘুরিয়ে
এতদিন তুমি ছিলেনা, তবু ছিলে
এবার সত্যি সত্যি হারিয়ে গেলে।

